বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি, বিকাল ৫:২২

প্রবাসীর স্ত্রী ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ২ লাখ টাকাসহ পালিয়ে যাওয়া সোহেলকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
এক সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রী ও ৭ ভরি র্স্বালংকার নগদ ২ লাখ টাকাসহ পালিয়ে যাওয়া সোহেল রানা (২৯)কে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানার পিতার নাম আল অমিন খান। তার গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলার নরগাতি থানার গাছবাড়িয়া গ্রামে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ নরগাতি থানা পুলিশ ও গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে সোহেল রানা ও প্রবাসীর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। পরের দিন থানা পুলিশ তাদেরকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠালে বিজ্ঞ বিচারক তাদের দুজনকে জেল হাজতে পাঠায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করেছেন বলে বাদী জানিয়েছেন। মামলার বাদী সেলিনা বেগম বলেন, ২ নং বিবাদী আমার ভাগনি গত ১ -৭ -২৩ তারিখে আমার হিরাঝিলস্থ বাসায় বেড়াতে আসে ২ -৭-২০২৩ তারিখে ভাগনি তার স্বামীর বন্ধু পরিচয়ে কুয়েত প্রবাসী সোহেল রানাকে আমার বাসায় নিয়ে আসে এবং আমি তাকে আপ্যায়ন করাই। ৩-৭-২০২৩ তারিখ দুপুরে আমি আমার মেয়েকে কোচিং থেকে আনার জন্য কোচিংয়ে যাই , এই সুযোগে তারা বাসার কাউকে কিছু না বলে আমার ঘরের আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ৭ ভরি র্স্বালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে আন্তগোপনে চলে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পরও তাদের কোন সন্ধান না পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গত ১৮-৭-২০২৩ তারিখে একটি মামলা দায়ের করি, মামলা নং ৩০। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে নড়াইলের নরগাতি থানা ও গোপলগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় সোহেল রানাসহ ১ সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রীকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। উভয়ে এখন নারায়ণগঞ্জ জেলহাজতে রয়েছে বলে জানান মামলার বাদী সেলিনা বেগম।তিনি দাবি করেন আমার ভাগনিকে মিথ্যা প্ররোচনা দিয়ে এবং ফুসলিয়ে প্রতারক সোহেল রানা আমার ঘরের আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে গেছে।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা